ড. মো. শহীদুল ইসলাম

করোনাভাইরাস : কোর্টের কার্যক্রম

ড. মো. শহীদুল ইসলাম

কোভিড ১৯ তথা করোনাভারাস এখন বিশ্ব মহামারী। খালি চোখে এ ভাইরাস দৃশ্যমান না হলেও সারা বিশ্ব ব্যাপী চলছে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ । এর করাল হিংস্র থাবা চলছে বাংলাদেশেও। এমন অবস্হায় দেশের উচ্চ আদালতসহ নিম্ন আদালতসমূহে সীমিত আকারে কায’ক্রম চালু রাখার যে ঘোষণা সুপ্রীম কোট’ থেকে প্রদান করা হয়েছিল ও পরবতী’তে তা স্হগিত করা নিয়ে আইনজীবীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় সমগ্র বিশ্ব। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশেও চলছে এর সংক্রমনের ভয়াল চিত্র । বিরাজমান পরিস্তিতি বিবেচনায় বংগবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ইতোমধ্যেই দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিলেন যা পরিস্হিতি বিবেচনায় ১৪ মে পয’ন্ত বধি’ত করা হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে দেশের জনগনকে এ মহামারী হতে সুরক্ষা প্রদানের জন্য সাব’ক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন। দিচ্ছেন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশনের বিভিন্ন লেভেলে কায’কর নি’দেশনা। ত্রান সাহায্যে এগিয়ে আসছে ব্যক্তি, সামাজিক প্রতিষ্ঠানসহ অনেক সেচ্ছাসেবি সংগঠণ। ছাত্র ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলো আত’দের মাঝে খাবার পৌছে দেয়াসহ অসহায় কৃষকদের ক্ষেতের ধানও কেটে দিচ্ছেন।

সরকারের প্রসাশন, গবি’ত সেনাবাহিনী এবং আইন শৃংখলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা এ ভাইরাস রোধ – প্রশমনে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছে। জীনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন সংবাদ কমী’রা ।সংক্রমনের ভয় উপেক্ষা করে সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসক, নাস’সহ সেবাকমী’রা। ইতোমধ্যে তাদের অনেকেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন চিকিৎসক, সরকারী কম’কতা’সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

এ ভাইরাসের কায’কর ভ্যক্সসিন এখন পয’ন্ত আবিষ্কার হয়নি । ভাইরাসটির এমন প্রকৃতির যে আক্রান্ত ব্যাক্তির সংস্পশে’ এলেই এক মানবদেহ থেকে অন্য মানবদেহে তা দ্রুত ছডা,য়। এমন পরিস্হিতিতে প্রায় সারাদেশেই চলছে লকডাউন। জোড. দেওয়া হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব ( social distance or physical distance) বজায় রেখে সুরক্ষা নিশ্চিত করার। জনগনকে নিদে’শ দেওয়া হয়েছে ঘরে থাকতে। এ বিষয় গুলো মানা না হলে এ ভাইরাস দেশে ভয়ংকর পরিস্হিতি সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশেজ্ঞরা হুসিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

এ ভাইরাসের সংক্রমন রোধের জন্য বিশ্বের প্রাথ’নালয় গুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে মুসলমানদের পবিত্র ঘর কাবা- মসজিদে নববী । অন্যান্য দেশের মতো নি’দেশ দেওয়া হয়েছে আমাদের দেশের মসজিদসহ বিভিন্ন ধমে’র উপাসনালয়ে উপস্হিতি নি’দিষ্ট সংখ্যায় সীমিত রাখতে। ইতো মধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন মসজিদের ইমাম- মোয়াজ্জিমসহ অন্য ধ’মের উপাসনাকারিরা । উল্লেখ্য , সম্প্রতি খবরে প্রকাশ পুরাণো ঢাকার ইসকন মন্দিরে অবস্হানকারি ৩০ জন ধম’জাযকই করোনা আক্রান্ত।

স্বাস্হ্য অধিদপ্তর ঢাকাসিটি ও এর পাশ্ব’বতি’ জেলাসমূহকে ঝুকিপূণ’ এলাকা ঘোষণা করেছে।আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন জ্যামিতিক হারে বাড.ছে। বাড.ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। দেশে চলছে ঐ মরণ ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিউশন। আজ(৫ মে ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিংএ বলা হয়েছে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সবো’চ্চ আক্রান্তের সংখ্যা বেডে. দাডি.য়েছে ৭৮৬জন, মোট দাডি.য়েছে ২০৯২৯ জন। মোট সুস্হ হয়েছেন হয়েছেন১৪০৩জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেডে. দাডি.য়েছিল ১৮৩ জন। আজ পত্রিকার খবরে প্রকাশ সারা বিশ্বে আক্রান্ত ৩৬১০০০৬ জন এবং মৃত্যু ২৫২৩৪৬ জন।

এমন পরিস্হিতে মানুষ সাধারণত আত্বীয় স্বজনদের বাসায় যায়না এবং তাদের আত্বীয় স্বজনদেরকও বাসায় আসতে নিরুৎসাহিত করে। দেশের এক স্হান থেকে অন্য স্হানে কোন লোক গেলেই ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে তাকে কোয়ায়ারেন্টাইনে থাকার পরামশ’ দেওয়া হয়।

এমন ভয়ংকর পরিস্হিতিতে অমানবিক-নিষ্ঠুর স্বজন কতৃ’ক ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে বৃদ্ধদেরকে ণিদারূন অসহায় অবস্হায় জংগল, রাস্তায় পরিত্যাক্ত অবস্হায় ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলেছে। ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যাক্তির স্বজনরা পয’ন্ত তার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে অনিহা প্রকাশ করছে।

ক্ষুধাত’ মানুষেরা মানবিক সাহায্য ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে।সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে ত্রাণ তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

বিজ্ঞ বিচারক ও আইনজীবীরা স্বচেতন থাকায় ভাইরাসে আক্রান্তের মিছিলে তাদের সংখ্যা কম। কোট’ বন্ধ থাকার এমন পরিস্হিতিতে অনেক আইনজীবীরা আথি’ক কষ্টে রয়েছেন । বিশেষ করে জুনিয়র আইনজীবীরাই এর বেশী ভুক্ত ভোগি।

এমন পরিস্হিতিতে। সুপ্রীম কোটে’র বিজ্ঞ রেজিস্ট্রার জেনারেল ২৩ এপ্রিল এক স্মারকের মাধ্যমে দেশের জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহে জরুরী বিষয় শুনানির জন্য সীমিত আকারে আদালতের কায’ক্রম চালিয়ে যাওয়ার নিদে’শ দিয়েছিলেন।

আরেক ঘোষণায় সুপ্রীম কোটে’ আপাীল বিভাগের একটি Judge in Chamber Court এবং হাইকোট’ বিভাগের আরেকটি Bench সীমিত আকারে বিচারকায’ পরিচালনা করার কথা বলা হয়েছিল।

ঐ ঘোষণার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইনজীবীদের তীব্র প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হচ্ছে। ঐ প্রতিক্রিয়ায় অনেক বিজ্ঞ আইনজীবী বত’মান ভাইরাস পরিস্হিতিতে মাননীয় বিচারপতিদের এবং আইনজীবীদের সুরক্ষারমতো স্পশ’কাতর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। একজন আইনজীবী যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছিলেন, জীবন আগে না মৌলিক অধিকার আগে।আরেক জন আইনজীবী বলেছিলেন, এ ঘোষণার মাধ্যমে সুপ্রীম কোট’ প্রাংগনে করোনাকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। এর বিপক্ষেও কিছু আইনজীবী বলেন, কোট’ বন্ধ থাকায় আইনজীবীদের আথি’ক কষ্টের কথা। আবার কিছু আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছিলেন উন্নত বিশ্বের মতো এ দেশে বত’মান প্রযুক্তি ব্যাবহার করে (ই – ফাইলের মতো )আদালতের কায’ক্রম চালু করার জন্য। এই ই- ফাইল পদ্ধতি চালু করতে হলে আদালতের রুলস্ সংশোধন করতে হবে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে , যাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

তাছাডা. উচ্চ আদালতে দাখিলকৃত প্রত্যেকটি আবেদনে ক্ষেত্র মতে বিচারপ্রাথী’ বা তদবিরকার কতৃ’ক কোটে’ এফিডেভিড কমিশনারের নিকট সশরীরে হাজির হয়ে এফিডেভিট করতে হয়। সুপ্রীম কোট’ সারা বাংলাদেশের একমাত্র সবো’চ্চ আদালত। বত’মান লকডাউন পরিস্হিতিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিচারপ্রাথী’ মানুষ কীভাবে উচ্চ আদালতে আসতেন । চলাচলের জন্য কিছু প্রতিষ্ঠিত – সচ্ছল আইনজীবীর নিজস্ব বাহন থাকলেও অধিকাংশ আইনজীবীর তা নাই। এ ক্ষেত্রে জুনিয়র অধিকাংশ আইনজীবীদের সমস্যা আরো প্রকট। চলাচলে আরোপিত বাধা-নিষেধ পেরিয়ে তারা লকডাউনের ভেতর কিভাবে কোটে’ পৌঁছতেন। সীমিত কায’ক্রম পরিচালনার সময় মাননীয় আদালতের পক্ষে কয়টা মামলার শুনানীর একোমোডেশন দেওয়া সম্ভব হতো। এতে আইনজীবীদের প্রতি তাদের মোয়াক্কেলের চাপ আরো বাড.তো। আদালতের সীমিত কায’ক্রমে আইনজীবীদের পক্ষে তাদের মোয়াক্কেলের মামলায় কাংক্ষিত ফল দেওয়া প্রায়ই সম্ভব হয়ে উঠত না। যার ফলশ্রুতিতে বিব্রতকর পরিস্হিতির সৃষ্টি হতো।

কিছু আইনজীবী প্রশ্ন রেখেছিল্ন আদালতের ঐ সীমিত কায’ক্রমে বিচারপ্রাথী’দের অনেকের মামলা শুনানী করা সম্ভব হবে না তাই “ সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী” সংবিধানের এই মৌলিক অধিকার থেকে তারা deprive হতেন।

কিছু আইনজীবী যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছিলেন বত’মানের ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আদালতের কায’ক্রম পরিচালনার কথা ।কিন্ত ই – ফাইলিংসহ আদালতের সকল কায’ক্রম ডিজিটাল প্রসিডিরের নিয়ে আনা সময়ের ব্যাপার। এ বিষয়ে বিজ্ঞ আইনজীবীদের ই – সিস্টেম ও প্রসিডিউর ওয়াকিবহাল হতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। যা বাস্তবায়ন করা এ মুহূতে’ সম্ভব নাও হতে পারে।

সে ক্ষেত্রে উদ্ভুত করোনা ভাইরাস পরিস্হিতিতে মাননীয় বিচারপতিদের, বিজ্ঞ বিচারকদের, বিজ্ঞ আইনজীবীদের এবং তাদের সহকারিদের ও বিচারপ্রাথী’ মানুষদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সুরক্ষা প্রদানের মতো স্পশ’কাতর বিষয়ে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এর সদয় দৃষ্টি আকষ’ণ করে ঐ আইনজীবীগণ আদালতের কায’ক্রম পরিচালনার নি’দেশটি পূন:বিবেচনার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেদন জানিয়েছিলেন।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি বিষয়টি স্পশ’কাতর বিবেচনায় ইতোমাধ্য ২৩ এপ্রিল জারী করা নি’দেশ দুটির কায’কারিতা ২৭ এপ্রিল পয’ন্ত স্হগিত করেছিলেন।

গত ২৬ এপ্রিল বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি , জনাব বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসোন এর নেতৃত্বে সুপ্রীমকোটে’র উভয় বিভাগের মাননীয় বিচারপতিদের সহিত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক ফুল কোট’ মিটিং করেছিলেন। ঐ মিটিং এর বরাত দিয়ে টিভি- মিডিয়া , অন লাইন পত্রিকা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় ঐ সিদ্ধান্তটি প্রকাশিত হয়েছিল। তাতে মাননীয় প্রধান বিচারপতির বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল উদ্ভুত পরিস্হিতিতে সুপ্রীম কোটে’র কায’ক্রম আগামী ৫ মে পয’ন্ত বন্ধ থাকার।

সুপ্রীমকোটে’র আরেকটি সূত্রে বলা হয় যে বিচারপতিদের ঐ ফুলকোট’ মিটিংএ জরুরী মামলার ভা’চুয়াল হিয়ারিং এবং অন লাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানির প্রয়োজনীয় রুলস্ সংশোধনের ক্ষেত্রে মহামান্য রাষ্টপতির অনুমোদন প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করা হয়েছিল।

ঐ ফুলকোট’ মিটিংএর সিদ্ধান্তনানুসারে সামগ্রিক পরিস্হিতি বিবেচনায় ৫ মে পয’ন্ত সুপ্রীম কোটে’র সাধারণ ছুটি বধি’ত করা হয়েছিল। আজ (৫ মে) সুপ্রীমকোটে’র আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রীম কেট’সহ নিম্ন আদালতের সাধারণ ছুটি ১৪ মে পয’ন্ত বধি’ত করা হয়েছে।ঐ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে এ ছুটি চলাকালীন আদালত সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ কম’স্হল ত্যাগ না করতে।

মহামান্য সুপ্রীমকোটে’র ঐ সময়োচিত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সাধারণ আইনজীবীগণ বলেন, বত’মান সিদ্ধান্ত না এলে, ঐ পরিস্হিতিতে আদালত সংশ্লিষ্ট যদি কেউ ঐ মরণ ভাইরাসে আক্রান্ত হতো , মানুষ তখন আদালত খোলা রাখাটাকে দায়ী করতো , এটাই স্বাভাবিক । যার সহিত উচ্চ আদালতের ভাবমূতি’ সম্পৃক্ত ছিল। তাই বিষয়টি বিরাজমান পরিস্হিতির সাবি’ক পযা’লোচনায় মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ এবং মাননীয় প্রধান বিচারপতির সময়োচিত ও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে মাননীয় বিচারক বৃন্দ, বিজ্ঞ আইনজীবী, বিচারপ্রাথী’ মানুষ ও আদালত সংশ্লিষ্টদের বত’মান ভাইরাস pandemic পরিস্থিতে আক্রান্ত না হওয়ার অনেকটা সুরক্ষা দিবে। যদিও বিচারপ্রাথী’ মানুষদের বিচার পাওয়ার বিষয়টি বিরাজমান ভাইরাস পরিস্হতির করণে সাময়িক বিলম্বিত হবে, বাড.বে ভোগান্তি । তবে, আগে জীবন। জীবন বাঁচলে দুদিন পরে মামলাও নিস্পত্তি হবে।

আশা করি আধার পেরিয়ে আলো আসবেই । কেটে যাবে এ করোনা মহামারি অচিরেই। সুরক্ষিত থেকে বিচারকায’ পরিচালনা করবেন মাননীয় বিচারকগণ ।

আইনজীবীগণের পদভারে আবার ভরে উঠবে আদালত প্রাংগন। পূবে’র মতো দেখা যাবে বিচারপ্রাথী’দের সরব উপস্হিতি। স্বাভাবিক হবে দেশ। অব্যহত থাকবে উন্নয়নের ধারা। সুখি ও সমৃদ্ধশালী হবে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।

লেখক: এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোট’, সাবেক ডেপুটি অ্যাটনী’ জেনারেল।