এলেঙ্গা-জামালপুর মহাসড়কে বৃষ্টি হলেই চরম ভোগান্তি

প্রকাশিত: মার্চ ২২, ২০২০

॥ এলেঙ্গা-জামালপুর মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতির কারণে মধুপুর হয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহের চার জেলায় সড়কপথে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে প্রাণহানি। অভিযোগ রয়েছে, এ সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী। সড়ক সংস্কারে পুরাতন ইটের খোয়া ও সড়কের পুরাতন কার্পেটিং উঠিয়ে পুনরায় সেগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে মধুপুর-ধনবাড়ী হয়ে জামালপুর পর্যন্ত ৭৭ কিমি. সড়ক উন্নয়নে কাজ চলছে। এজন্য বরাদ্দ প্রায় ৫শ’ কোটি টাকা। ৫টি প্যাকেজে আগামী ২০২০ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা। সড়কের ১ থেকে ৩নং প্যাকেজে কাজ করছেন ঢাকার ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন। আর ৪ ও ৫নং প্যাকেজে কাজ পেয়েছেন জামিল এ্যান্ড কোম্পানি। কাজের গতি খুবই হতাশাব্যঞ্জক। বিশেষ করে ঘাটাইল পৌর শহরে ১ কিলোমিটার এবং মধুপুর পৌরশহরের মালাউড়ি থেকে মধুপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়কে দেড় ফিট উঁচু রিজিট পেভমেন্ট ঢালাই হবার কথা। এক বছরে ঠিকাদার এসব স্থানে সড়কের দুইপাশ খোঁড়াখুঁড়ির পর মাত্র ১৫০ গজ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছে। পেভমেন্টে নিয়মিত পানি না দেয়ার কারণে তা ফেটে চৌচির হচ্ছে। সড়কের এক পাশ যানবাহন চালু রেখে অপরপাশে পেভমেন্ট ঢালাইয়ের কাজ করায় ভাঙ্গাচোরা সরু অংশ দিয়ে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও শেরপুর জেলার হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করছে। ব্যাপক যানবাহনের চাপে সড়কের অনেক অংশ দেবে গেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কখনো কখনো যানবাহন কাদায় আটকে ফেঁসে যায়। তখন দুইদিকে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। প্রশস্তকরণের জন্য আবার সড়কের কোথাও-কোথাও দুই পাশের মাটি খুঁড়ে ৫/৬ ফুট গর্ত করে রাখা হয়েছে। খোঁড়াখুঁড়িতে সরু সড়কে দুটি বড় যানবাহন ক্রস করতে পারে না।