স্বাস্থ্য পরামর্শ

সতর্ক থাকতে হবে আগামী ১৪ দিন

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২০

করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) নিয়ে আমরা কতটুকু সচেতন? যারা বিদেশ হতে এসেছেন তারা কোয়ারেন্টাইন মেনে চলছেন কিনা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নজরদারি রাখছি কি? লক্ষ্য রাখতে হবে, তারা যেন ১৪ দিন পর্যন্ত পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন কারও সঙ্গে মেলামেশা না করেন। কারণ এতে করে তিনি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারেন। করোনা আক্রান্ত হলে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে ২-১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই ভাইরাস বহনকারী কেউ যদি জনসমাগম/জনসমাবেশে যায় তাহলে অতি দ্রুত এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনাভাইরাসটি অনেক বেশি শক্তিশালী। কারণ এটি অনেক দ্রুত দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পুরো পৃথিবী করোনা আতঙ্কে ভোগছে। ভিন্ন দেশে বয়স্ক মানুষরা এই ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়া আর শ্বাসকষ্ট হয়ে মারা যাচ্ছেন। চীন, ইতালি, ইরান এই দেশগুলো শুরু থেকে সাবধান থাকেনি বলে আজ তাদের এত মানুষ মারা যাচ্ছে।
ষাটোর্ধ্ব, হৃদরোগী, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, কিডনিরোগী, হাঁপানিরোগী বা ফুসফুসের প্রদাহ আছে এমন রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে বেশি জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর কোনো দেশেই হাসপাতালে এত রোগীর জায়গা দেওয়া সম্ভব নয় বিধায়, সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
কীভাবে ছড়ায় : আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি ও থুথুর মাধ্যমে, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে, পশু-পাখি বা গবাদি পশুর মাধ্যমে।
লক্ষণ : জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট।
প্রতিরোধের উপায় : কয়েক ঘণ্টা পরপর সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে দুই হাত ধোয়া, বিশেষ করে বাইরে থেকে ঘরে ফিরলে। হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় কনুই দিয়ে বা টিস্যু দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা। যত্রতত্র থুথু না ফেলা। মাছ মাংস ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া। অসুস্থ পশু পাখির সংস্পর্শে না আসা।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।সৃএ:বাংলাদেশ প্রতিদিন